সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ক্যান্ডেলষ্টিক এর উৎপত্তির ঘটনা ও এর পিছনের সাইকোলজি

  মুনিসিহা হোমা [Munehisa Homma] ইতিহাসের সবচেয়ে সফল প্রাইজ একশন ট্রেডার।লোক্মুখে প্রচলিত আছে ,তিনি ট্রেডিংএর মাধ্যমে  ১০ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিলেন। এখন মনে প্রশ্ন আসতেই পারে কে এই  মুনিসিহা হোমা [Munehisa Homma]? তিনি জাপানের সাকাতা ইয়ামাগাতার একজন কৃষক,একজন কৃষক তার ধানের বাজার দর ওঠা নামা ধরার জন্য ক্যান্ডলষ্টিক আবিষ্কার করে।টেকনিক্যাল এনালাইসিসের তিনি পথদ্রষ্টা। আজকের এই আর্টিকেল এই ক্যান্ডালষ্টিক এবং ক্যান্ডেলষ্টিক এর সাইকোলজি নিয়ে আলোচনা করা হবে। যাদের ষ্টোক মার্কেট নিয়ে আগ্রহ আছে তারা সবাই কম বেশি ক্যান্ডেলষ্টিক নিয়ে ধারণা রাখে। তাই আমরা একটু ভিন্ন ভাবে শুরু করব ,প্রথমে চিন্তা করব কি প্রেক্ষাপটে এবং কি সমস্যায় ক্যান্ডেলষ্টিক আবিষ্কার করতে হয়ে ছিল। কি তার সাইকোলজি এবং এর রহস্য ,ভেদ করা হবে এখানে।

আজ থেকে প্রায় ৪০০ বছর আগে ধরি ,মুনিসিহা তার ধান বিক্রি করার জন্য রওনা হল এখন যেহেতু ৪০০ বছর আগের ঘটনা তাই কোন যান্ত্রিক যানবাহন আশা করা যায় না,ধরলাম গাধার পিঠে করে ধানের বস্তা নিয়ে যাচ্ছে। যেহেতু গাধার পিঠে ধানের বস্তা নিয়ে যাচ্ছে তাই সঠিক সময়ে গন্তব্যে আসা সম্ভব হল না ,সুতরাং যা হওয়ার তাই হল,বাজারে গিয়ে দেখে বাজার বন্ধ ,এখান থেকে সাইকোলজিক্যাল গেম শুরু।
মুনিসিহা হোমা [Munehisa Homma]


মুনিসিহা হোমা দেখতে পেলেন বাজারে একটা সাইনবোর্ড ঝুলছে সেখানে ,লেখা" ধানের দিন শেষে সমাপ্ত মূল্য ২৫ টাকা।" এমন সময় একজন দোকানদার এসে বলল “কি হে ভাই বাজার তো বন্ধ ধান বেচবে নাকি”
হোমা বলল “বেচার জন্য তো এসেছি কিন্তু দোকান তো বন্ধ, এখন কি যে করি”দৃশ্যপট একটু চিন্তা করুন আজ থেকে ৪০০ বছর আগে গাধার পিঠে ধান নিয়ে গিয়ে ফিরে আসা কতটা সময় আর অর্থ এবং পরিশ্রমের অপচয়।তাই এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দোকানদার বলল” কয় বস্তা ধান আছে সব দিয়ে যাও ,দেখতেই তো পাচ্ছ ধানের শেষ দর ছিল ২৫ টাকা আমি ২৩ টাকায় সব কিনে নিব”
এখন এই প্রেক্ষাপটে নিজেকে চিন্তা করুন কি করতেন এই সিচুয়েশনে মনে রাখতে হবে এই ডিলের উপর ভিত্তি করেই কিন্তু তার পরিবারকে ৬ মাস চলতে হবে ।চালাতে হবে একটি বড় সংসার।ঘরের কথা মনে পড়ায় অনেকে বিক্রি করতে চাইবেন না।এমন সময় সেই দোকানদার নতুন একটা সংখ্যা আপনার মাথার ভিতর ঢুকিয়ে দিল ।সে বলল “আরে ভাই আপনি লাষ্ট প্রাইজ কেন দেখতেছেন ?মার্কেট ওপেন হয়ছিল ২০টাকায়,হয়ত কাল মার্কেট আরো কম দাম থেকে শুরু হতে পারে”।এখন যদি ২০ টাকার সাথে কোম্পেয়ার করেন ,তাহলে কিন্তু এই প্রস্তাবকে আনেকটায় বাস্তব সম্মত মনে হবে ।কারণ মাথায় এখন ৩ ডিজিট ঘুরতেছে একটা মার্কেট ক্লোজ প্রাইজ ২৫ মার্কেট ওপেন  প্রাইজ ২০ কিন্তু আগামীকাল আরো কমে খুলতে পারে,এই ভয়ে ২৩ টাকাকে যথেষ্ট যুক্তিসংগত মনে হতে পারে।এই প্রেক্ষাপটে অনেকে দিয়েও দিতে চাইবেন।

এখন একটা লাইফ লিসন দেইঃ সংখ্যা কখনও নিজে নিজে আকর্ষণীয় বা অনাকর্ষণীয় হয় না,এখানে ২৩ সংখ্যা ২৩ ই আছে।কিন্তু যখন আমরা অন্য কোন ব্রেঞ্চ মার্ক বা অন্য কোন সংখ্যার সাথে তুলনা করি, তখন একই সংখ্যা একবার আকর্ষণীয় আর একবার অনাকর্ষণীয় হয়ে যায়। ২৩ সংখ্যাটা ২৫শের কাছে বেশি কম মনে হচ্ছিলো।আবার যখন ২০শের সাথে তুলনা করা হল তখন আকর্ষণীয় একটা সংখ্যায় পরিনত হল।

তো এত সব চিন্তা করে যখন গাধার পিঠ থেকে ২৩ টাকা দরে সব ধান দিয়ে ,যখন টাকা নিলেন ।এমন সময় আপনার এলাকার এক প্রতিবেশী মোতালেবের সাথে দেখা।”কি ভাই কি খবর এই সময় বাজারে কি কারণে আপনি বললেন ধান বেচতে।ভাই কত করে বেচলেন ? উত্তরে ২৩ টাকা। মোতালেব মাথায় হাত দিয়ে হায় হায় কি করছেন আজ তো ধানের সর্বোচ্চ দর উঠছিল ৩০টাকা ,এই কথা কি কেউ বলেনি ?আহহা আমার সাথে আগে দেখা হলে এই লস টা হত না । কাল তো তার চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হতে পারত। এখন আপনার মনে হতেই পারে আমার সাথে প্রতারণা করা হয়েছে ।কেন আমাকে সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হল না।কিছুক্ষণ আগের আকর্ষণীয় দামটি এখন পানির দাম মনে হচ্ছে ,৩০ এর তুলনায় ২৩ কে ,মনে হবে যে, ধান সব পানিতে ফেলে দিয়ে আসা হয়েছে। রাগী রাগী চোখে বিক্রেতার দিকে তাকিয়ে বললেন “এট কি হল মশাই “।এখন বিক্রেতাও আপনাকে বুঝ দিবে “আরে ভাই দিনের হাই প্রাইজ শুধু ৩০ দেখলেন এদিকে যে দিনের লো প্রাইজ ছিল মাত্র ১৬ টাকা সেদিকে দেখলেন না।এখন আবার এক নতুন সংখ্যা হাজির ,মাথা এলোমেলো হয়ে যাবার অবস্থা হাই ৩০ ,লো ১৬ বাজারে অনেক চরাই উতরাই তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মাল দিয়ে ছিটকে পড়ায় ভাল।
এই ঘটনা হতে আপনার উপলব্ধি কি ?কারণ এখানে শুধু নাম্বার নিয়েই কথা বলা হয়নি নাম্বারের পিছনের সাইকোলজি নেয়েও আলোচনা করা হয়েছে ।তাই আপনার উপলব্ধি কমেন্ট বক্স এ কমেন্ট করতে ভুলবেন না।


এখন আলোচনা করি,ক্যান্ডেলষ্টিক কী করে ? 


গল্পে বিভ্রান্ত করা এই চারটা গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার সাথে সেই চার টা পয়েন্ট যা সারা দিনের ডায়নামাইক্স বা বাজারের সারদিনের দামের ওঠা নামা প্রকাশ করা কে একত্রে নিয়ে একটা তথ্যচিত্র প্রকাশ করে।একটা ক্যান্ডেলষ্টিকের শুরু হয় ওপেন থেকে ক্লোজ, সাথে থাকে হাই আর লো।এখন ক্যান্ডেলষ্টিকের যে বডি হ‌য় ,তা ওপেন এবং ক্লোজ এর মাঝ খানে হয়।উপর দিকে যে লম্বা রেখা থাকে তাকে স্যাডো বলে ,এই রেখা যখন নিচে দিকে থাকে ,তাকে লো বলে।যখন মার্কেট বাড়ে তখন ওপেন হয় নিচের দিকে আর ক্লোজ হয় উপরের দিকে, মার্কেট যখন কমতে থাকে তখন ওপেন হয় উপরের দিকে আর ক্লোজ হয় নিচের দিকে।
ক্যান্ডেলষ্টিকের  নিচের ছবি টা ভাল্ভাবে না দেখলে  আমরা একই রকম দুইটা লাল ও সবুজ ক্যান্ডেলষ্টিক দেখতে পাব। আর যদি ভাল ভাবে ভিতরে দেখি তাহলে দেখব লাল বারে মার্কেট ওপেন হয়েছে উপরের দিকে আর ক্লোজ হচ্ছে নিচের দিকে। আবার সবুজ বারের ভিতরে দেখলে বুঝব মার্কেট ওপেন হচ্ছে নিচের দিকে আর ক্লোজ হচ্ছে উপরের দিকে।
ক্যান্ডেলষ্টিক


এই হচ্ছে ক্যান্ডেলষ্টিক এর উৎপত্তির ঘটনা ও এর পিছের সাইকোলজি এবং আজ থেকে ধরলাম আপনার অফিসিয়ালি একজন ট্রেডার হিসাবে যাত্রা শুরু।আমাদেরও ক্যান্ডেলষ্টিক শিখানোর যাত্রা শুরু।
যাত্রা শুরু থেকে একটা ঘটনা মনে পড়ল।আমরা সবাই হাবিব ওয়াহিদ কে চিনি, কি না? ৯৯% উত্তর আসার কথা হ্যা গান গায় সিঙ্গার হাবীব ।আবার যদি বলি তামিম ইকবাল কে চিনি, কি না? এখানেও সবাই বলবে হ্যা ক্রিকেট খেলে ,চিনি। এখন যদি প্রশ্ন করি কাব্লু কে চিনেন কি না? ১০০% মনে করার চেষ্টা করেও মনে করতে পারবে না এবং বলবে চিনি না । কেন কাব্লু কে আমরা কেউ চিনি না কারণ হাবিব এবং তামিম একজন গানে জগতে আর একজন ক্রিকেটের ভুবনে বহু বছর ধরে লেগে আছে ,অপরদিকে কাবলু একটা জিনিস ধরে আর একটা জিনিস ছাড়ে তাই তাকে কেউ মনে রাখে নি। গল্পের সারমর্ম দাড়াল লেগে থাকতে পারলে সফলতা আসবেই, তাই ধরে নিচ্ছি আজ থেকে আপনি একজন ট্রেডার হওয়ার জন্য যাত্রা শুরু করলেন,তাই পড়তে পারেন কি ভাবে একজন ট্রেডার হয়ে উঠবেন? এবং এখন থেকে এই নতুন কিছু জানার জন্য লেগে থাকতে হবে, হাল ছেড়ে দিলে চলবে না , তবেই বিজয় আসবে।এর পরের পর্বে থাকছে ক্যান্ডেলষ্টিকের চারিত্রিক পরিচিতি ,মার্কেটে এর ব্যবহার সহ উদাহরণ।
এই ক্যান্ডেলষ্টিকের সাথে যেমন সাইকোলজিক্যাল ইস্যু জরিত তেমনি শেয়ার বাজারে ষ্টপ লসের সাথেও জরিত আছে, এই রকমই এক সাইকোলজিক্যাল ইস্যু। তাই ষ্টপ লস কি ? এর পিছনের স্যাইকোলজিক্যাল ইস্যু কি জানতে ভিডিওটি দেখতে পারেন।  
আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করুন
আমদের ইউটিউবচ্যানেল ভিজিট করুন



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ভাল কোম্পানি কত পার্সেন্ট ডিভিডেন্ড দিলে লাভ হবে?

লং ট্রাম বিনিয়োগকারীরা ভাল শেয়ার চেনার জন্য, কোম্পানীর ডেভিডেন্ড ইল্ড দেখে থাকেন।যে সমস্ত শেয়ারের  ডেভিডেন্ড ইল্ড ভাল সেই সব শেয়ার লং ট্রাম বিনিয়োগকারীদের জন্য বেশি আকর্ষণীয় হয়ে থাকে।তাই আজকে আমরা  ডেভিডেন্ড   কি ? এবং  কত টাকায় কত পার্সেন্ট ডেভিডেন্ড দিলে ভাল হবে ,অর্থ্যাথ  ডেভিডেন্ড ইল্ড বাহির করার মাধ্যমে কি ভাবে ভাল শেয়ার চিনা যায়, তাই নিয়ে আলোচনা করব। ডিভিডেন্ড ( Dividend ) অর্থ লভ্যাংশ। একটি কোম্পানির তার মুনাফার যে অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিতরণ করে থাকে তা-ই লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড। কখনো কখনো রিজার্ভ বা সংরক্ষিত তহবিল থেকেও লভ্যাংশ বিতরণ করা হয়। লভ্যাংশ নগদ টাকা বা স্টক (শেয়ার) অথবা উভয় আকারে হতে পারে। লভ্যাংশ সাধারণত শতাংশের হিসাবে প্রকাশ করা হয়। ডিভিডেন্ড সব সময় প্রদান করা হয় ফেস ভ্যালুর উপর ভিত্তি করে। যেমন ১০% ডিভিডেন্ড দিলে প্রতি শেয়ারে ডিভিডেন্ড হবে ১ টাকা। কারন ফেস ভ্যালু ১০ টাকা এবং ১০ টাকার ১০% হচ্ছে ১ টাকা। যদিও শেয়ারের ফেস ভ্যালু ১০ টাকা কিন্তু মার্কেটে শেয়ারের দাম ১০ টাকার থেকে বেশি বা কম হতে পারে। ধরা যাক ১০% হারে ডিভিডেন্ড দেওয়া কোম্পানি...

DSE Mobile App কেন ব্যবহার করবেন?

আমাদের মধ্যে দুই শ্রেণীর মানুষ আছে । এক ,যারা টেকনোলজি ব্যবহার করে অভ্যস্ত,দুই যারা টেকনোলজি ব্যবহার করতে সবসময় কিছুটা অনাগ্রহ প্রকাশ করে, না জানার কারণে এখন যারা টেকনোলজি ব্যবহার করে তাদের মাঝে আবার দুই ভাগ আছে ।এক ভাগ “চলছে জীবন যেমন ,চলুক তবে তেমন” এ বিশ্বাসী।তারা টেকনোলজি ব্যবহার করতে জানলেও নতুন নিয়মে যেতে রাজি না কারণ "আগের নিয়মেই তো ভাল হচ্ছে ,নতুন কিছুর কি দরকার। "আর এক ভাগ আছে তাদের কেউ এসে হাতে তুলে না দিলে শিখবে না। এরা হচ্ছে আগে “সবাই করুক এই পার্টির লোক”।তাহলে দেখা যাচ্ছে খুব কম মানুষই আছে যারা নিজে নিজে নতুনকে স্বাগত জানাবে ।আর তাই তো এখানে বিজয়ী হওয়ার সংখ্যাও কম হয়ে থাকে।   DSE Mobile App কেন ব্যবহার করবেন? ব্রোকারেজ হাউজের ট্রেডাররাই আপনার লস বা প্ল্যান নষ্ট করার অন্যতম কারিগরঃ শেয়ার বাজারে এন্ট্রি নেওয়ার শুরুতে যখন আপনি অল্প অল্প করে শেয়ার কিনার অর্ডার দিবেন তখন হয়ত ব্রোকারেজ হাউজের ট্রেডাররা  অনীহা প্রকাশ করবে আপনাকে নানা বুদ্ধি দিতে চাইবে, আপনার অর্ডারগুলো অনেক দেরিতে কার্যকর হবে অনেক সময় মিসও হয়ে যেতে পারে।মনে রাখবেন ব্রোকারেজ হাউজের ট্রেড...

টেকনিক্যাল এনালাইসিসের অতীত ,বর্তমান ,ভবিষ্যত...

একটি শেয়ারের অতীতের কিছু Price Movement-এর উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে এর মূল্য কেমন হতে পারে, তা খুঁজে বের করার পদ্ধতিকেই বলে টেকনিক্যাল এনালাইসিস। সংক্ষেপে বলা যায়, একটি কোম্পানির শেয়ার অতীতে কোন সময় কোথায় ছিল, বর্তমানে শেয়ারের গতি কোনদিকে, ঠিক কোন অবস্থায় গিয়ে শেয়ারটি ক্রয়-বিক্রয় করা নিরাপদ আর অধিক লাভজনক ,এসব বিষয় চার্টের মাধ্যমে খুঁজে বের করাই হল টেকনিক্যাল এনালাইসিস। এনালাইসিস তিন ধরনের হয়ে থকে। ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস,টেকনিক্যাল এনালাইসি্‌স, ইমোশনাল বা নিউজ এনালাইসিস।আজকে আমরা টেকনিক্যাল এনালাইসিসের অতীত বর্তমান ওভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করব। মনে রাখতে হবে, যে কোন শেয়ারে  লাভবান হতে হলে টেকনিক্যাল এনালাইসিস, ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস, ইমোশনাল বা নিউজ এনালাইসিস এই তিনদিকেই সবসময় নজর রাখতে হবে।  টেকনিক্যাল এনালাইসিসের উৎপত্তি : টেকনিক্যাল এনালাইসিসের মূলনীতিগুলো অনেক বছরের পুরোনো। ১৭শ শতাব্দীতে ডাচ্ শেয়ার মার্কেটে জোসেফ ডি লা ভেগা’ প্রথম কিছুটা টেকনিক্যাল এনালাইসিস শুরু করেন। তারপর, জাপানে ১৮শ শতকের প্রথম দিকে হোমা মুনিহিসা একজন রাইস ট্রেডার যিনি ক্যান্ডেলস্টিক টেকনিক’ (Can...